সামার ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিল আইইউবিএটি

সামার ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিল আইইউবিএটি

সামার ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিল আইইউবিএটি © জনসংযোগ

ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)-এর নিজস্ব ক্যাম্পাসে সামার ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও ইনিশিয়েশন অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ও মনোরম পরিবেশে উৎসবমুখর আয়োজনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দুই হাজার-এরও বেশি নবীন শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

পরিচিতি পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আইইউবিএটির মিশন ও ভিশন, একাডেমিক নিয়মকানুন, ক্যারিয়ার সার্ভিস, গ্রন্থাগার ও আইটি সুবিধা, শিক্ষার্থী সংগঠন ও সহশিক্ষা কার্যক্রম, পরিবহন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকাসক্তি প্রতিরোধ সংস্থা (মানস)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী, প্রখ্যাত করপোরেট নেতা ও বিপণন বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ আলমগীর, ইউনিকো হসপিটালস পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আর্দ্রা কুরিয়েন এবং টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আয়মান সাদিক। অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফার্স্ট অফিসার মাশরুফা করিম। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন আইইউবিএটির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন আইইউবিএটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুর রহমান।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং বাস্তবমুখী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও তারা শিক্ষার্থীদের সময় ব্যবস্থাপনা, সৃজনশীল সমস্যা সমাধান, দলবদ্ধ কাজের দক্ষতা এবং সমাজসেবা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব বোঝান। একই সঙ্গে তারা আইইউবিএটিকে জ্ঞান, গবেষণা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নের একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *