
নতুন পে-স্কেল শুধু জীবনমান উন্নয়নই নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল করবে বলে মনে করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির মতে, দীর্ঘ ১১ বছরে দুটি পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার যৌক্তিক সুযোগ থাকলেও একটি পে-স্কেলও বাস্তবায়িত না হওয়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে এবং সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও আয়ের মধ্যে বড় বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন পে-স্কেল শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি নয়; বরং এটি জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার একটি কার্যকর মাধ্যম। প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে বাজারে পণ্য ও সেবার চাহিদা বৃদ্ধি পাবে, যা উৎপাদন ও বিনিয়োগে গতি আনবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
সংগঠনটি জানায়, পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারের ব্যয় করা অর্থ বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত হয়ে বহুগুণ মূল্য সংযোজন করবে, যা জাতীয় আয় ও জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীরা গৃহঋণ গ্রহণে আগ্রহী হলে আবাসন ও নির্মাণ খাতেও নতুন গতি আসবে।
এতে বলা হয়, বেতন বৃদ্ধি পেলে ভোগব্যয় বাড়বে, ফলে ভ্যাট ও কর আদায় বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত রাজস্ব নতুন উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি কর্মস্পৃহা ও দায়িত্ববোধ বাড়ার ফলে জনসেবার মান উন্নত হবে এবং দুর্নীতির প্রবণতাও হ্রাস পেতে পারে।

Leave a Reply