
সকালের প্রথম বাসে করে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এসেছেন মেহেদী হাসান। উদ্দেশ্য— ভাইভা দেওয়া। দেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন তিনি। শিক্ষাজীবনে ছিলেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সক্রিয় নেতা। আত্মবিশ্বাস নিয়েই ঢুকেছিলেন একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরির সাক্ষাৎকারে। কিন্তু কয়েক মিনিট পরই মলিন মুখে বেরিয়ে আসেন তিনি।
সাক্ষাৎকার কক্ষে ঢোকার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। প্রশ্নের উত্তর নয়, বরং তাকে বলা হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে টাইপিং করে একটি টেবিল তৈরি করতে। সঙ্গে দেওয়া হয় এক্সেলের আরও একটি কাজও। স্মার্টফোনে অ্যাপ চালাতে অভ্যস্ত মেহেদী হঠাৎ করেই ডেস্কটপের সামনে যেন থমকে যান। কিবোর্ড আর সফটওয়্যারের জটিলতায় গুলিয়ে যায় তার আত্মবিশ্বাসও। ফলাফলে টানা চতুর্থবারের মতো চাকরি হাতছাড়া হয় তার।

Leave a Reply